তিনি বলেন, গণমাধ্যম মালিকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। একটি নির্দিষ্ট বেতন কাঠামো নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন করা গেলে সাংবাদিকদের সম্মানজনক বেতন ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম একটি শিল্পখাত। এই খাতের নিয়োগ পদ্ধতি আইন অনুযায়ী হওয়া উচিত। বিনিয়োগকারীর যেমন লাভ নিশ্চিত করার দায়িত্ব আছে, তেমনি কর্মীদের অধিকার নিশ্চিত করাও জরুরি।
তিনি জানান, সরকার ধাপে ধাপে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামো গড়ে তুলতে চায়। এর মাধ্যমে সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা বাড়বে।
ফটো সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রযুক্তির পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। আগে কলম ও ক্যামেরাই ছিল প্রধান উপকরণ। এখন একটি ডিভাইসেই সব কাজ করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, ফটো সাংবাদিকদের জন্য একটি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট ভবন দ্রুত তাদের নিয়ন্ত্রণে দেওয়া উচিত। এটিকে আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে রূপান্তর করা দরকার।
গণতন্ত্র রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদ একটি রোগের মতো। তাই গণমাধ্যমকে সবসময় সজাগ থাকতে হবে।
সভায় প্রধান তথ্য অফিসার ইয়াকুব আলী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও অংশ নেন বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা। তারা পেশাগত নানা দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।