1. masidrono@gmail.com : মন রহমান : মন রহমান
  2. admin@dailypressbd.com : নিজস্ব প্রতিনিধি : নিজস্ব প্রতিনিধি
  3. entertainment@dailypressbd.com : বিনোদন প্রতিবেদক : বিনোদন প্রতিবেদক
  4. international@dailypressbd.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  5. tusherhk@gmail.com : রাহাত তুষার : রাহাত তুষার
  6. national@dailypressbd.com : বাংলাদেশ ডেস্ক : বাংলাদেশ ডেস্ক
  7. sports@dailypressbd.com : ক্রীড়া ডেস্ক : ক্রীড়া ডেস্ক
  8. shuvo5566@yahoo.com : তুর্য রহমান : তুর্য রহমান
৯টি পে স্কেল, ১৯৭৩ থেকে ২০২৬ এর বেতন বৃদ্ধির হিসাব - DAILY PRESS
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩০ অপরাহ্ন

৯টি পে স্কেল, ১৯৭৩ থেকে ২০২৬ এর বেতন বৃদ্ধির হিসাব

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে
pay scale
৯টি পে-স্কেলের বেতন বৃদ্ধির চিত্র। গ্রাফিক্স: ডেইলি প্রেস

তুর্য রহমান: বাংলাদেশের সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামোর ইতিহাস বেশ দীর্ঘ। স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৯টি জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রথম পে-স্কেল আসে ১৯৭৩ সালে। এরপর ১৯৭৭, ১৯৮৫, ১৯৯১, ১৯৯৭, ২০০৫, ২০০৯ ও ২০১৫ সালে নতুন বেতন কাঠামো দেওয়া হয়। সর্বশেষ ২০২৬ সালে অনুমোদন পেয়েছে নবম জাতীয় পে-স্কেল। অর্থাৎ ২০১৫ সালের অষ্টম পে-স্কেলের প্রায় ১১ বছর পর নতুন বেতন কাঠামো এলো।

স্বাধীনতার পর প্রথম জাতীয় পে-স্কেল চালু হয় ১৯৭৩ সালে। তখন সরকারি চাকরিতে ১০টি গ্রেড ছিল। সর্বনিম্ন মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৩০ টাকা। সর্বোচ্চ মূল বেতন ছিল ২ হাজার টাকা। এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় বেতন কাঠামো। পরবর্তী পে-স্কেলগুলোর সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, সময়ের সঙ্গে সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন ধারাবাহিকভাবে বাড়ানো হয়েছে।

এরপর ১৯৭৭ সালের দ্বিতীয় পে-স্কেলে গ্রেডের সংখ্যা বাড়িয়ে ২১টি করা হয়। সর্বনিম্ন মূল বেতন ১৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২২৫ টাকা করা হয়। অর্থাৎ আগের স্কেলের তুলনায় বৃদ্ধি ছিল প্রায় ৭৩.১ শতাংশ। সর্বোচ্চ মূল বেতন ২ হাজার টাকা থেকে বেড়ে হয় ৩ হাজার টাকা। অর্থাৎ সর্বোচ্চ বেতনে বৃদ্ধি ছিল ৫০ শতাংশ। প্রথম ও দ্বিতীয় পে-স্কেলের মধ্যে ব্যবধান ছিল মাত্র কয়েক বছর। তবে বেতন কাঠামোয় এটি ছিল গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন।

১৯৮৫ সালের তৃতীয় পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতনে আরও বড় পরিবর্তন আসে। সর্বনিম্ন মূল বেতন ২২৫ টাকা থেকে বেড়ে ৫০০ টাকা করা হয়। অর্থাৎ বৃদ্ধি ছিল প্রায় ১২২.২ শতাংশ। অন্যদিকে সর্বোচ্চ মূল বেতন ৩ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৬ হাজার টাকা হয়। সর্বোচ্চ বেতন দ্বিগুণ হওয়ায় বৃদ্ধির হার দাঁড়ায় ১০০ শতাংশ। এই পে-স্কেলটি আগের কাঠামোর তুলনায় বড় ধরনের বেতন বৃদ্ধি হিসেবে বিবেচিত হয়।

এরপর ১৯৯১ সালের চতুর্থ পে-স্কেলে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ৯০০ টাকা করা হয়। ফলে সর্বনিম্ন বেতনে বৃদ্ধি ছিল ৮০ শতাংশ। সর্বোচ্চ মূল বেতন ৬ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১০ হাজার টাকা হয়। এতে সর্বোচ্চ বেতনে বৃদ্ধি দাঁড়ায় প্রায় ৬৬.৭ শতাংশ। এ সময় বেতন কাঠামোয় নতুনভাবে গ্রেড ও ধাপ নির্ধারণ করা হয়।

১৯৯৭ সালের পঞ্চম পে-স্কেলে আবারও উল্লেখযোগ্য বেতন বৃদ্ধি করা হয়। সর্বনিম্ন মূল বেতন ৯০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়। এতে বৃদ্ধি হয় প্রায় ৬৬.৭ শতাংশ। সর্বোচ্চ মূল বেতন ১০ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ১৫ হাজার টাকা হয়। অর্থাৎ সর্বোচ্চ বেতনে বৃদ্ধি ছিল ৫০ শতাংশ। এই সময় সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো আগের তুলনায় আরও বিস্তৃত হয়।

২০০৫ সালের ষষ্ঠ পে-স্কেলে সর্বনিম্ন মূল বেতন নির্ধারণ করা হয় ২ হাজার ৪০০ টাকা। আগের স্কেলে এই বেতন ছিল ১ হাজার ৫০০ টাকা। ফলে সর্বনিম্ন বেতনে বৃদ্ধি হয় ৬০ শতাংশ। সর্বোচ্চ মূল বেতন ১৫ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ২৩ হাজার টাকা হয়। অর্থাৎ সর্বোচ্চ বেতনে বৃদ্ধি ছিল প্রায় ৫৩.৩ শতাংশ। এই স্কেল থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো ধীরে ধীরে আরও আধুনিক রূপ পেতে শুরু করে।

এরপর ২০০৯ সালের সপ্তম পে-স্কেলে বেতন বৃদ্ধির হার আবারও উল্লেখযোগ্য হয়। সর্বনিম্ন মূল বেতন ২ হাজার ৪০০ টাকা থেকে বেড়ে ৪ হাজার ১০০ টাকা করা হয়। ফলে বৃদ্ধি ছিল প্রায় ৭০.৮ শতাংশ। সর্বোচ্চ মূল বেতন ২৩ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৪০ হাজার টাকা হয়। এতে সর্বোচ্চ বেতনে বৃদ্ধি দাঁড়ায় প্রায় ৭৩.৯ শতাংশ। ২০০৯ সালের এই পে-স্কেল দীর্ঘ সময় সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামোর ভিত্তি হিসেবে কার্যকর ছিল।

এরপর আসে ২০১৫ সালের অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল। এই স্কেলে সরকারি চাকরিতে ২০টি গ্রেড রাখা হয়। সর্বনিম্ন মূল বেতন ৪ হাজার ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮ হাজার ২৫০ টাকা করা হয়। অর্থাৎ সর্বনিম্ন বেতনে বৃদ্ধি ছিল প্রায় ১০১.২ শতাংশ। অর্থাৎ সর্বনিম্ন মূল বেতন প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। সর্বোচ্চ মূল বেতন ৪০ হাজার টাকা থেকে বেড়ে ৭৮ হাজার টাকা করা হয়। এতে সর্বোচ্চ বেতনে বৃদ্ধি হয় ৯৫ শতাংশ। ২০১৫ সালের এই বেতন কাঠামোই ২০২৬ সালের নতুন স্কেল অনুমোদনের আগ পর্যন্ত কার্যকর ছিল।

২০১৫ সালের পর দীর্ঘ সময় নতুন পে-স্কেল না আসায় সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন বেতন কাঠামোর দাবি জোরালো হয়। শেষ পর্যন্ত ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই সরকার ২৩ সদস্যের নবম জাতীয় পে কমিশন গঠন করে। কমিশন ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়। পরে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের বিষয়টি পর্যালোচনার জন্য ২১ এপ্রিল ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

অবশেষে ৩১ আগস্ট ২০২৬ মন্ত্রিসভায় নবম জাতীয় পে-স্কেল অনুমোদন পায়। নতুন কাঠামোয় আগের মতো ২০টি গ্রেড রাখা হয়েছে। তবে বেতনের অঙ্কে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। নতুন স্কেলে সর্বোচ্চ বা প্রথম গ্রেডের মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। আর সর্বনিম্ন বা ২০তম গ্রেডের মূল বেতন করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা। নতুন স্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর করার কথা জানানো হয়েছে।

নবম পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতনের পরিবর্তনটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৫ সালের অষ্টম পে-স্কেলে যেখানে সর্বনিম্ন মূল বেতন ছিল ৮ হাজার ২৫০ টাকা, সেখানে ২০২৬ সালের নতুন স্কেলে তা বেড়ে হয়েছে ২০ হাজার টাকা। অর্থাৎ মূল বেতন বেড়েছে ১১ হাজার ৭৫০ টাকা। শতাংশের হিসাবে এই বৃদ্ধি প্রায় ১৪২.৪ শতাংশ। অর্থাৎ ২০১৫ সালের তুলনায় সর্বনিম্ন মূল বেতন দুই গুণেরও বেশি হয়েছে।

সর্বোচ্চ বেতনের ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন এসেছে। ২০১৫ সালের অষ্টম পে-স্কেলে সর্বোচ্চ মূল বেতন ছিল ৭৮ হাজার টাকা। নবম পে-স্কেলে তা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। অর্থাৎ মূল বেতন বেড়েছে ৭৮ হাজার টাকা। শতাংশের হিসাবে বৃদ্ধি ১০০ শতাংশ। সহজভাবে বললে, প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ঠিক দ্বিগুণ হয়েছে।

তবে পে-স্কেলের পরিবর্তন শুধু মূল বেতনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নতুন কাঠামোর সঙ্গে বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধাতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য মাসে ৩ হাজার টাকা প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই সঙ্গে মোবাইল বা ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যয়ের বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। আগে যেখানে নির্দিষ্ট কিছু গ্রেডের কর্মীরা মোবাইল ভাতা পেতেন, নতুন কাঠামোয় এর আওতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

নয়টি পে-স্কেলের দিকে দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিতে তাকালে দেখা যায়, সর্বনিম্ন মূল বেতন ১৩০ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ প্রায় ৫৩ বছরে সর্বনিম্ন মূল বেতন বেড়েছে ১৯ হাজার ৮৭০ টাকা। অন্যদিকে সর্বোচ্চ মূল বেতন ২ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ সর্বোচ্চ মূল বেতন বেড়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। তবে এই দীর্ঘ সময়ের মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং টাকার ক্রয়ক্ষমতার পরিবর্তন বিবেচনায় নিলে শুধু নামমাত্র বেতন বৃদ্ধির হিসাব দিয়ে সরকারি কর্মচারীদের প্রকৃত আয় বৃদ্ধির পুরো চিত্র বোঝা যায় না।

আরেকটি বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ। এক পে-স্কেল থেকে আরেক পে-স্কেলে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন একই হারে বাড়েনি। কোনো কোনো স্কেলে নিম্ন গ্রেডে বৃদ্ধির হার বেশি ছিল। আবার কোনো স্কেলে উচ্চ গ্রেডে তুলনামূলক বেশি বৃদ্ধি হয়েছে। যেমন ১৯৮৫ সালের তৃতীয় পে-স্কেলে সর্বনিম্ন মূল বেতন বেড়েছিল প্রায় ১২২.২ শতাংশ। সর্বোচ্চ বেতন বেড়েছিল ১০০ শতাংশ। আবার ২০১৫ সালের অষ্টম পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন বেড়েছিল প্রায় ১০১.২ শতাংশ, আর সর্বোচ্চ বেতন বেড়েছিল ৯৫ শতাংশ।

সবচেয়ে বড় শতাংশীয় বৃদ্ধি এখন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে ২০২৬ সালের নবম পে-স্কেলে সর্বনিম্ন মূল বেতনে। ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা হওয়ায় বৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১৪২.৪ শতাংশ। এর আগে সর্বনিম্ন মূল বেতনে সবচেয়ে বড় শতাংশীয় বৃদ্ধি ছিল ১৯৮৫ সালের তৃতীয় পে-স্কেলে। তখন ২২৫ টাকা থেকে ৫০০ টাকা হওয়ায় বৃদ্ধি হয়েছিল প্রায় ১২২.২ শতাংশ।

অন্যদিকে সর্বোচ্চ মূল বেতনে সবচেয়ে বড় শতাংশীয় বৃদ্ধি হয়েছে ১৯৮৫ ও ২০২৬ সালের পে-স্কেলে। ১৯৮৫ সালে ৩ হাজার টাকা থেকে ৬ হাজার টাকা হয়ে সর্বোচ্চ বেতন ১০০ শতাংশ বেড়েছিল। ২০২৬ সালেও ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা হওয়ায় সর্বোচ্চ বেতন ১০০ শতাংশ বেড়েছে। অর্থাৎ সর্বোচ্চ বেতনের ক্ষেত্রে এই দুই পে-স্কেল সমান হারে বৃদ্ধি দিয়েছে।

এক নজরে ৯টি পে স্কেলের বেতন বৃদ্ধি

পে-স্কেল সাল সর্বনিম্ন মূল বেতন আগের স্কেলের তুলনায় বৃদ্ধি সর্বোচ্চ মূল বেতন আগের স্কেলের তুলনায় বৃদ্ধি
১ম ১৯৭৩ ১৩০ টাকা ২,০০০ টাকা
২য় ১৯৭৭ ২২৫ টাকা ৭৩.১% ৩,০০০ টাকা ৫০%
৩য় ১৯৮৫ ৫০০ টাকা ১২২.২% ৬,০০০ টাকা ১০০%
৪র্থ ১৯৯১ ৯০০ টাকা ৮০% ১০,০০০ টাকা ৬৬.৭%
৫ম ১৯৯৭ ১,৫০০ টাকা ৬৬.৭% ১৫,০০০ টাকা ৫০%
৬ষ্ঠ ২০০৫ ২,৪০০ টাকা ৬০% ২৩,০০০ টাকা ৫৩.৩%
৭ম ২০০৯ ৪,১০০ টাকা ৭০.৮% ৪০,০০০ টাকা ৭৩.৯%
৮ম ২০১৫ ৮,২৫০ টাকা ১০১.২% ৭৮,০০০ টাকা ৯৫%
৯ম ২০২৬ ২০,০০০ টাকা ১৪২.৪% ১,৫৬,০০০ টাকা ১০০%

বিশেষ প্রতিনিধি।
তুর্য রহমান ১৪ বছর বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। এখন পর্যন্ত ৬টি সংবাদমাধ্যমে সাংবাদিকতা করেছেন তিনি।

শেয়ার করুন:

সম্পর্কিত খবর:

ফেসবুকে আমরা

Flag Counter
© 2026 Daily Press | KFAST Media | All Rights Reserved