1. masidrono@gmail.com : মন রহমান : মন রহমান
  2. admin@dailypressbd.com : নিজস্ব প্রতিনিধি : নিজস্ব প্রতিনিধি
  3. entertainment@dailypressbd.com : বিনোদন প্রতিবেদক : বিনোদন প্রতিবেদক
  4. international@dailypressbd.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  5. tusherhk@gmail.com : রাহাত তুষার : রাহাত তুষার
  6. national@dailypressbd.com : বাংলাদেশ ডেস্ক : বাংলাদেশ ডেস্ক
  7. sports@dailypressbd.com : ক্রীড়া ডেস্ক : ক্রীড়া ডেস্ক
  8. shuvo5566@yahoo.com : তুর্য রহমান : তুর্য রহমান
অস্ট্রেলিয়া বনাম বাংলাদেশ টেস্টে মুখোমুখি পরিসংখ্যান - DAILY PRESS
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২৪ অপরাহ্ন

অস্ট্রেলিয়া বনাম বাংলাদেশ টেস্টে মুখোমুখি পরিসংখ্যান

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে
অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেট দলের লোগোসহ মুখোমুখি লড়াইয়ের প্রতীকী গ্রাফিক
প্রতীকী ছবি। গ্রাফিক্স: ডেইলি প্রেস

তুর্য রহমান: আজকের চলমান ডারউইন টেস্টের আগে টেস্ট ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মুখোমুখি লড়াই হয়েছে ৬টি। এর মধ্যে অস্ট্রেলিয়া জিতেছে ৫টি এবং বাংলাদেশ জিতেছে ১টি। কোনো ম্যাচ ড্র হয়নি। দুই দলের প্রথম টেস্ট হয়েছিল ২০০৩ সালের ১৮ জুলাই ডারউইনে। এরপর ২০০৩ সালে দুই ম্যাচ, ২০০৬ সালে দুই ম্যাচ এবং ২০১৭ সালে দুই ম্যাচ খেলেছে দল দুটি। অর্থাৎ আজকের ম্যাচের আগে প্রায় ৯ বছর ধরে দুই দলের মধ্যে কোনো টেস্ট হয়নি।

প্রথমবার মুখোমুখি হয় ২০০৩ সালের ডারউইন টেস্টে। সেই ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ইনিংস ও ১৩২ রানে জয় পায়। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে মাত্র ৯৭ রানে অলআউট হয়েছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে করে ১৭৮ রান। অস্ট্রেলিয়া ৪০৭ রান করে ইনিংস ঘোষণা করেছিল। একই সফরের দ্বিতীয় টেস্টে আরও বড় ব্যবধানে হারতে হয় বাংলাদেশকে। কেয়ার্নসে অস্ট্রেলিয়া ইনিংস ও ৯৮ রানে জয় পায়। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৯৫ রান করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬৩ রানে গুটিয়ে যায়। অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ৫৫৬/৪ ঘোষণা করেছিল।

২০০৬ সালে বাংলাদেশে এসে দুই ম্যাচের সিরিজ খেলে অস্ট্রেলিয়া। ফতুল্লার প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়া ৩ উইকেটে জয় পায়। এই ম্যাচটি ছিল দুই দলের লড়াইয়ের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪২৭ রান করে। এটিই এখন পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। শাহরিয়ার নাফিস করেন ১৩৮ রান। জবাবে অস্ট্রেলিয়া ২৬৯ রানে অলআউট হয়। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ১৪৮ রানে গুটিয়ে যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়া ৮৭ রানের লক্ষ্য পেয়ে তিন উইকেট হাতে রেখে ম্যাচ জিতে নেয়।

২০০৬ সালের দ্বিতীয় টেস্টে চট্টগ্রামে অস্ট্রেলিয়া আরও দাপট দেখায়। তারা ইনিংস ও ৮০ রানে জয় পায়। অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ৫৮১/৪ ঘোষণা করে। বাংলাদেশের বিপক্ষে এটিই তাদের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। ওই ইনিংসে জেসন গিলেস্পি অপরাজিত ২০১ রান করেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসও এটি। ম্যাচে স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল ৮ উইকেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

এরপর দুই দলের মধ্যে দীর্ঘ বিরতি আসে। আবার দেখা হয় ২০১৭ সালে বাংলাদেশের মাটিতে। ঢাকার মিরপুরে প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ ইতিহাস গড়ে। মুশফিকুর রহিমের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়াকে ২০ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে পরাজিত করে। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ২৬০ রান করে। অস্ট্রেলিয়া ২১৭ রানে অলআউট হয়। দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ ২২১ রান করে অস্ট্রেলিয়ার সামনে ২৬৫ রানের লক্ষ্য দেয়। অস্ট্রেলিয়া ২৪৪ রানে অলআউট হলে ২০ রানের ঐতিহাসিক জয় পায় বাংলাদেশ।

সেই ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন শাকিব আল হাসান। দুই ইনিংস মিলিয়ে তিনি ম্যাচে ১০ উইকেট নেন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে নাথান লায়নও দুর্দান্ত বোলিং করেন। পুরো ম্যাচে তিনি ১৩ উইকেট নেন। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে তামিম ইকবাল ৭১ এবং শাকিব আল হাসান ৮৪ রান করেন। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসে ম্যাথু ওয়েড ৬৪ রান করেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ডেভিড ওয়ার্নার ৩৫ রান করলেও অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং লাইনআপ বাংলাদেশের স্পিনের সামনে টিকতে পারেনি।

তবে ওই সিরিজে বাংলাদেশের ইতিহাস গড়া জয়টি শেষ পর্যন্ত সিরিজ জয়ে রূপ নেয়নি। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্টে অস্ট্রেলিয়া ৭ উইকেটে জয় পায়। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৩০৫ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ১৫৭ রান করে। অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ৩৭৭ রান করে। শেষ ইনিংসে মাত্র ৮৬ রানের লক্ষ্য পেয়ে ৩ উইকেট হারিয়েই জয় নিশ্চিত করে। ফলে দুই ম্যাচের সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ হয়। ২০১৭ সালের ওই সিরিজে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন তামিম ইকবাল—দুই টেস্টে ২৭০ রান। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ডেভিড ওয়ার্নার করেন ৩৫১ রান। বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার নাথান লায়ন ২২ উইকেট এবং বাংলাদেশের শাকিব আল হাসান ১২ উইকেট নেন।

সব মিলিয়ে পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে অস্ট্রেলিয়ার আধিপত্য স্পষ্ট। ছয় টেস্টে তাদের জয় ৮৩.৩৩ শতাংশ। বাংলাদেশের জয় ১৬.৬৭ শতাংশ। অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ ৫৮১/৪ ঘোষণা। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ৪২৭ রান। অন্যদিকে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন দলীয় সংগ্রহ ৯৭ রান। অস্ট্রেলিয়ার সর্বনিম্ন অলআউট স্কোর ২১৭ রান। ব্যক্তিগত রেকর্ডেও অস্ট্রেলিয়ার আধিপত্য রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে জেসন গিলেস্পির অপরাজিত ২০১ সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস। বাংলাদেশের হয়ে শাহরিয়ার নাফিসের ১৩৮ রান সর্বোচ্চ। বোলিংয়ে বাংলাদেশের শাকিব আল হাসানের ১০/১৫৩ ম্যাচসেরা বোলিং রেকর্ড রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে নাথান লায়নের ১৩/১৫৪ দুই দলের লড়াইয়ে এক ম্যাচে সর্বোচ্চ উইকেট শিকার।

তবে ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের একমাত্র টেস্ট জয়টি এসেছে সর্বশেষ সিরিজেই। ২০১৭ সালের সেই জয় বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাসের বড় উৎস। আর আজকের ডারউইন টেস্ট হচ্ছে দুই দলের মধ্যে ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট। ফলে আগের ছয় ম্যাচের পরিসংখ্যান অস্ট্রেলিয়াকে স্পষ্টভাবে এগিয়ে রাখলেও, বাংলাদেশের সামনে রয়েছে পুরোনো হিসাব বদলে দেওয়ার সুযোগ।

বিশেষ প্রতিনিধি।
তুর্য রহমান ১৪ বছর বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। এখন পর্যন্ত ৬টি সংবাদমাধ্যমে সাংবাদিকতা করেছেন তিনি।

শেয়ার করুন:

সম্পর্কিত খবর:

ফেসবুকে আমরা

Flag Counter
© 2026 Daily Press | KFAST Media | All Rights Reserved