1. admin@dailypressbd.com : ডেইলি প্রেস ডেস্ক :
ফিলিস্তিন ইস্যুতে মায়ের সঙ্গে সোচ্চার আলিয়া ভাট - DAILY PRESS
রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১০:৩২ অপরাহ্ন

ফিলিস্তিন ইস্যুতে মায়ের সঙ্গে সোচ্চার আলিয়া ভাট

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই, ২০২৫
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে
মা সোনি রাজদানের সঙ্গে আলিয়া ভাট- ফাইল ছবি

ডেইলি প্রেস ডেস্ক: বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী সোনি রাজদান সম্প্রতি ফিলিস্তিন সংকট নিয়ে একটি আবেগঘন ও দৃঢ় পোস্ট দিয়ে আলোচনায় এসেছেন। নিজের পারিবারিক ইতিহাসের সাথে এই সংকটের সম্পর্ক তুলে ধরেই তিনি ব্যথিত হৃদয়ে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। তার কন্যা, জনপ্রিয় অভিনেত্রী আলিয়া ভাট, মায়ের এই পোস্টে ‘লাইক’ দিয়ে নীরবভাবে সমর্থন জানিয়েছেন।

সোনি রাজদান লিখেছেন, তার নানু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানিতে হিটলারের নাৎসি শাসনের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে লড়েছিলেন। তিনি একটি গোপন পত্রিকা চালাতেন, যা হিটলারের বিপক্ষে প্রচার চালাত। “তারা যতটা সম্ভব তা ছড়িয়ে দিয়েছিলেন, কিন্তু অবশেষে ধরা পড়ে যান। একদিন তাকে গ্রেপ্তার করে কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়,” লেখেন রাজদান।

সেখানে তিনি চরম মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণার শিকার হন। তবে তিনি একজন জার্মান এবং তার আইনি সহায়তা ছিল শক্তিশালী, ফলে কঠিন শর্তে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়—জার্মানিতে আর কখনো পা রাখতে পারবেন না।

এই পারিবারিক ইতিহাসের সূত্র ধরে রাজদান বর্তমান গাজা পরিস্থিতি নিয়ে বলেন, “ব্যাপারটা কষ্টকরভাবে বিদ্রূপাত্মক। হিটলারের বিরুদ্ধে জীবন বাজি রেখে যে জাতির জন্য আমার নানু লড়েছিলেন, সেই জাতিই এখন অন্য একটি জাতিকে দমন করছে।” তবে তিনি স্পষ্ট করেন, “সব ইহুদি এই সহিংসতাকে সমর্থন করেন না, যেমনভাবে সব জার্মানও হিটলারের অনুসারী ছিলেন না। কিন্তু আমার নানুর মতো সাহস খুব কমজনেরই ছিল।”

রাজদান আরও জানান, “আজ ফিলিস্তিনে যা ঘটছে তা আমার কাছে খুবই ব্যক্তিগত মনে হয়। আমি কৃতজ্ঞ যে আমার নানু আজ বেঁচে নেই, কারণ এই দৃশ্য দেখে তিনি ভেঙে পড়তেন।” নিজের অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি হয়তো তার মতো সাহসী নই, কিন্তু এখন চুপ করে থাকা অপরাধ। কথা বলা দরকার।”

এই পোস্টে আলিয়া ভাট ইনস্টাগ্রামে লাইক দিয়ে স্পষ্টভাবে মায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন। নেটিজেনরা মা-মেয়ের এই মানবিক অবস্থানকে সাধুবাদ জানাচ্ছেন এবং তাঁদের সাহসের প্রশংসা করছেন।

সোনি রাজদানের এই পোস্ট শুধু রাজনৈতিক বার্তাই দেয়নি, এটি দেখিয়েছে ইতিহাস, সহানুভূতি ও নৈতিকতার শক্তি কীভাবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রভাব ফেলতে পারে।

শেয়ার করুন:

সম্পর্কিত খবর:

ফেসবুকে আমরা

Flag Counter
© 2025 Daily Press | KFAST Media | All Rights Reserved